ইয়স-এর জেরে ঝাড়গ্রামের শতাধিক মাটির বাড়ি ভেঙে পড়েছে - The News Lion

ইয়স-এর জেরে ঝাড়গ্রামের শতাধিক মাটির বাড়ি ভেঙে পড়েছে

 


দি নিউজ লায়ন;  ঘূর্ণিঝড় ইয়স এর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে যতটা সতর্ক ছিল ঝাড়গ্ৰাম জেলা প্রশাসন শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ততটা তান্ডব দেখাতে পারেনি ঘূর্ণিঝড়।ঝাড়গ্রাম জেলায় বুধবার ভোর রাত থেকে অনবরত ঝড়ো হাওয়া সারাদিন বয়ে যাওয়ার ফলে বেশকিছু জায়গায় গাছপালা ভেঙে পড়ে  এবংবেশ কিছু মাটির বাড়ি ভাঙ্গার খবর পাওয়া গেছে। সঙ্গে নষ্ট হয়েছে চাষিদের চাষের ফসল।তবে ঝাড়গ্ৰাম জেলার নয়াগ্ৰাম, গোপীবল্লভপুর সাঁকরাইল ব্লকে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বেশি থাকলেও সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে সাঁকরাইল ব্লকের। 


ব্লকের রোহিনী অঞ্চলের ধীতপুর গ্রামের বাসিন্দা লক্ষী সিং এর বাড়ি ঝড়ে ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সঙ্গে এলাকার প্রচুর গাছের ডালপালা ভেঙ্গে বেশ কিছু রাস্তা প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় এনডিআরএফ কর্মীরা গাছ সরানোর কাজ শুরু করেছেন।এছাড়া গোপীবল্লভপুর ২ নং ব্লকের বাহারুনাতে একটি ইলেকট্রিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে , খবর পেয়ে বেলিয়াবেড়া থানার ওসি বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তার উপর থেকে তড়িঘড়ি সরানোর ব্যবস্থা করেন ।এছাড়াও আশকোলা ও চনাবেড়িয়া,খাড়বাঁন্ধি অঞ্চলের রামচন্দ্রপুর সহ বেশ কয়টি গ্ৰামের রাস্তার ওপর ভেঙে পড়ল গাছ ,রাস্তা পরিষ্কারের কাজে হাত লাগালেন বেলিয়াবেড়া থানার  সিভিক ভলেন্টিয়ার্সরা। 


অন্যদিকে গোপীবল্লভপুর এক নম্বর ব্লকের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে রাস্তার উপর ভেঙ্গে পড়েছিল বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বেশ কিছু জায়গায় গাছ  ভেঙে পড়ে। সেইসঙ্গে সাঁকরাইল ও নয়াগ্রাম ব্লকের ও বেশ কিছু জায়গায় গাছ  রাস্তার উপর ভেঙে পড়ে।তা ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ভেঙে পড়া গাছ রাস্তা থেকে পরিষ্কারের কাজও চলছে।তবে গোপীবল্লভপুর, সাঁকরাইল,নয়াগ্রাম ব্লকের ত্রাণ শিবির গুলিতে যে সকল মানুষজন রয়েছেন তারা এদিন রাতেও ওই শিবিরে থাকবেন বলে জানা যায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে।এবং ঝাড়্গ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে । প্রতিটি ব্লকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে একাধিক ত্রাণশিবির তৈরি করা হয়েছে।


ঝাড়্গ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ও খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম । মন্ত্রী থেকে বিধায়করা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক জয়সী দাশগুপ্ত বলেন ঝড়ে শতাধিক মাটির বাড়ি ভেঙে পড়েছে, সংখ্যা আরো বাড়তে পারে ।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঝড়ে যেভাবে ক্ষতির আশঙ্কা করেছিলাম সেই ভাবে ক্ষতি হয়নি তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিছু জায়গায় রাস্তার উপর গাছ পড়ে গিয়েছিল সেই গাছগুলি রাস্তা থেকে সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.